কোটচাঁদপুরে ইটভাটার পুকুর থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর কলেজ এলাকার একটি ইটভাটার পুকুর থেকে নাসিমা খাতুন (১৪) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওই এলাকার ইকো ব্রিকস’র পুকুর থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। কিশোরী নাসিমা খাতুন উপজেলার সলেমানপুর গ্রামের মৃত নাজমুল মীরের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানায়, কোটচাঁদপুর-কালীগঞ্জ সড়কের ইকো ব্রিকস’র পুকুরে এক কিশোরীর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে পরিচয় শনাক্ত করলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্বজনরা জানায়, বুধবার সকালে বান্ধবীদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে।
কোটচাঁদপুর থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি মহেশপুরের ২০ শয্যার হাসপাতাল
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
উদ্বোধন হয়েছে আড়াই বছর আগে কিন্তু আজও চালু হয়নি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা ভৈরবা এলাকায় নির্মিত ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি। ফলে উপজেলার অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের লাখো মানুষ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত থাকছেন।
জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাকোরখাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হলেও এখনও তার কার্যক্রম শুরু হয়নি।
চালু না হওয়ায় হাসপাতালের ভবনটি নষ্ট হতে শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্র্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালের কিছু যন্ত্রাংশও চুরিও হয়ে যাচ্ছে।
স¤্রাট নামের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, আমরা ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে যেতে হবে না। কিন্তু এখনো অসুস্থ হলে উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হচ্ছে।
খাদিজা বানু নামের এক বৃদ্ধা বলেন, আমাগের এই হাসপাতাল কইরলো ম্যালা টাকা দিয়ে। কিন্তুক আজ পর্যন্ত দেখলাম না কোন ডাক্তার আসতি। তাহলি হাসপাতাল করে লাভ কি হলো। আমরা চাই এডা যেন তারাতারি চালু করা হয়।
হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারবেন, যা সীমান্তবর্তী এলাকার চিকিৎসা সংকট অনেকাংশে কমিয়ে দেবে।