আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নড়াইলে পিকআপ ও লাটার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪ ঝিনাইদহে ভূমি সেবা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন গ্রেফতার ঝিনাইদহে বাবা ও চাচার বিরুদ্ধে ভাই-বোনের সংবাদ সম্মেলন অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিএনপির লিফলেট বিতরণ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ব্রিফিং এড়িয়ে এনজিও অনুষ্ঠানে ডিসি! ঝিনাইদহে হোটেল কর্মচারী যুবতীকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঝিনাইদহ শহরের মার্কেটগুলোতে নেই পর্যাপ্ত টয়লেট সুবিধা, ভোগান্তিতে ক্রেতারা নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ইমামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঝিনাইদহে মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ কালীগঞ্জে অধিগ্রহণকৃত জমি ও স্থাপনার সঠিক মুল্য নির্ধারণের দাবী ঝিনাইদহে বাসে র‍্যাবের অভিযান সাড়ে ৭ কোটি টাকার ‘ক্রিস্টাল মেথ’ জব্দ নড়াইলে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপরে ভেঙে পড়ল গাছ, আহত ২ ১৪ ঘণ্টা সাংবাদিককে থানায় আটকে রেখে নিজের দাদা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখাল শৈলকুপা থানা পুলিশ

বাসিন্দাদের চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

প্রতিবেদকের তথ্য : Gramer Khobor
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 24, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 207
ছবির ক্যাপশন : বাসিন্দাদের চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।