আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সরকার আইনসঙ্গত ভাবে ফ্যাসিস্টদের বিচার করতে বদ্ধ পরিকর নড়াইলে খুনের ঘটনায় ৬৯ জনকে আসামি করে মামলা গ্রেফতার ১০ নিখোঁজের একদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার নড়াইলে শপিং ব্যাগে নবজাতকের মরদেহ নড়াইলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৪ জনের তিনজনের জানাজা, দাফন সম্পন্ন নড়াইলে চারজন খুনের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে রেল লাইনের পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার পলিথিনের ভাগাড়ে দাঁড়িয়ে ‘দূষণ’ ঝিনাইদহে খাজনার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ নড়াইলে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ নিহত ৪ নড়াইলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এসপি আল মামুন শিকদার নড়াইল জেলা সদর হাসপাতালে ৪৫ জন কর্মীর পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বকে পিছে ফেলে জয় করলো বাংলাদেশ নড়াইলে বৃদ্ধর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ নড়াইলে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলেও দাম ঊর্ধ্বমুখী

নড়াইলের দুটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রতিবেদকের তথ্য : Gramer Khobor
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 8, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 41
ছবির ক্যাপশন : নড়াইলের দুটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নড়াইলের দুটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত


উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা  প্রতিনিধি:

নড়াইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের দুটি আসনে ১৬ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. আব্দুল ছালামের স্বাক্ষরিত ভোটের ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা  প্রতিনিধি জানান, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী জামানত হলো, নির্বাচনী নিরাপত্তাজনিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ, যা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। টাকা জমাদানের প্রমাণ স্বরূপ ট্রেজারি চালান বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের পে, অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হয়। ২০২৬ সালের অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার টাকা। নির্বাচনী এলাকায় যত ভোট পড়ে তার শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান, তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এবার নড়াইলের দুটি আসনে ৫ প্রার্থী ব্যতীত বাকি ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নড়াইল-১ আসনে ১১২টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোট সহ) মোট ভোট প্রদান করেন এক লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৫ জন ভোটার। যা মোট ভোটের ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ সংগৃহীত হয়। ওই ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোটের সমীকরণ দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৫৯৪ ভোট। এই আসনে আট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তার মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ছয়জনের।
তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আজিজ, তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৫২ ভোট। জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মো. মিল্টন মোল্যা পেয়েছেন মাত্র ৪৬১ ভোট। কলস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বি এম নাগিব হোসেন পেয়েছেন এক হাজার ১১৩ ভোট। ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী লে. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এস এম সাজ্জাদ হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৮৯৮ ভোট। হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. উজ্জ্বল মোল্যা পেয়েছেন মাত্র ২৩০ ভোট। ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুকেশ সাহা আনন্দ পেয়েছেন ৮৬৪ ভোট।
নড়াইল -২ আসনে ১৪৮টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোটসহ) মোট ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৮১ জন; যা মোট ভোটের ৬৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ সংগৃহীত হয়। ওই ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোটের সমীকরণ দাঁড়ায় ৩১ হাজার ৫৯৭ ভোট।
নড়াইল-২ আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার মধ্যে ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন-জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ পেয়েছেন মাত্র ৬৮৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ৭২৯ ভোট। গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম পেয়েছেন মাত্র ৩৩৯ ভোট। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো. শোয়েব আলী পেয়েছেন মাত্র ২২০ ভোট। জাহাজ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন পেয়েছেন মাত্র ২১৯ ভোট।
উল্লেখ্য, নড়াইল -১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ওবায়দুল্লাহ ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট পেয়েছেন। ও নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান বাচ্চু এক লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী কলস প্রতীকের মো. মনিরুল ইসলাম ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট।
নড়াইল-১ আসনটি ৩০ বছর পর বিএনপির দখলে আসে। অন্যদিকে নড়াইল -২ আসন স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর প্রথমবারের মতো জামায়াত তাদের দখলে নেয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..